স্টাফ রিপোর্টার: সারাদেশে একযোগে চলছে শারদীয় দূর্গা উৎসব; দেশ যত এগিয়ে যাচ্ছে, ততই আধুনিকতার ছোয়া এসেছে গ্রামের পুজা মন্ডপ গুলোতে। বাহারি রং এর আলোক সজ্জা, বড় বড় তোরণ ও নিত্য নতুন আয়োজন । বিগত বছরে গ্রাম্য এই দুর্গা পুজা মন্ডপটির সাজসজ্জায় ব্যবহৃত হত প্রাচীন পদ্ধতি। তোরণ নির্মাণে কলাগাছ, রঙ্গিন কাগজ ও রং বে রং এর পাতাকা।
আর এখন সেখানেও এসেছে আধুনিকতার ছোয়া। নতুন ভাবে এবার আগত দর্শনার্থী ও ভক্তদের মন যোগাতে শহরের মন্ডপ গুলোর সঙ্গে পাল্লাদিয়ে বাড়ানো হচ্ছে সাজসজ্জা।
পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের ধরান্দী এলাকার শতবছর পুরোনো কালীবাড়ি মন্দিরটি সেজেছে নতুন সাজে। আনন্দ র্যালী, শোভাযাত্রা ও বাহারি খাবারের সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তো থাকছে। আগত অতিথি অ্যাপায়নে থাকছে পিঠাপুলিসহ নাড়ু সন্দেশ। তবে এতে খরচ বাড়লেও, ভক্ত দর্শনার্থীদের তৃপ্তি দিয়েই সন্তুষ্ট আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবথেকে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বিভিন্ন আচার আনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয় শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসব।এই উৎসবকে বাঙালি জাতির অসাম্প্রদায়িক উৎসব বলে মনে করে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
দক্ষিণ ধরান্দি গ্রামের এই কালীবাড়ী পূজামন্ডপটি আশেপাশের ৩ টি গ্রামের একমাত্র পুজা মন্ডপ হওয়ায় দিন-রাতে দর্শনার্থী ও ভক্তদের আনা থাকছেই। তাই মন্ডপের নিরাপত্তায় থাকসে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরাসহ পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও র্যাবের টহল পার্টি।
মহাঅষ্টমী উপলক্ষে সন্ধ্যায় দক্ষিণ ধরান্দি সার্বজনীন কালিবাড়ী পূজা মন্ডপে পূজা উদযাপন কমিটি ও তরুন সংঘের আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের। এতে অংশগ্রহণ করে নারী, পুরুষ, শিশু সহ সকল বয়সী ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। স্থানীয়দের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রাটি হয়ে উঠে সার্বজনীন।
শোভাযাত্রা শেষে পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অশোক পাল বলেন, আমাদের এই পূজা ১০০ বছরের অধিক সময় ধরে চলে আসছে। প্রত্যেক বছর আমরা এলাকার বাসিন্দারা এই পূজার আয়োজন করে থাকি। হিন্দু, মুসলিম সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ আমাদের পূজা আয়োজনে সহযোগিতা করছে বলেও জানান তিনি।







