আমতলী প্রতিনিধি: বরগুনা আমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি স্কুলের পরিত্যক্ত অফিস কক্ষে ফেলে রাখা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মানছেন না প্রধান শিক্ষক। আমতলী পূর্ব কালীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা যায়।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকল সরকারী বেসরকারি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে অফিস কক্ষে জাতির জনক ও প্রধান মন্ত্রীর ছবি টানানোর কথা থাকলেও আমতলী পূর্ব কালীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের( ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল মানছেন না সরকারি নির্দেশনা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে আমতলী পূর্ব কালীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিত্যক্ত অফিস কক্ষে পুরাতন আসবাপএ ও হাড়ি পাতিলের মধ্যে জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি নির্ধারিত অফিস কক্ষে না টানিয়ে স্কুলের স্টোর রুম হিসাবে ব্যবহ্রত পরিত্যক্ত অফিস কক্ষে অযতœ ও অবহেলায় ফেলে রাখা হয়েছে । শ্রেনী কক্ষ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ হিসাবে শিক্ষক শিক্ষিকাদের ব্যবহার করতে দেখা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষিকা বলেন, জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি এভাবে ফেলে রাখা ঠিক হয়নি তবে, এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ভালো বলতে পারবেন। স্কুলের অফিস কক্ষে বৃষ্টির সময় ছাদ থেকে পানি পরে তাই আমরা বাধ্য হয়ে ক্লাশ রুম ও অফিস রুম একসাথে চালাই।
৩ জুলাই ১৯৯৬ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জাতির জনকের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ আইন ও ২৭মার্চ ২০০২ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি সংরক্ষণ আইনের আদেশ মোতাবেক সরকারি নির্দেশনা দেয়া হলেও মানছেন না ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তফা কামাল।
এ বিষয়ে আমতলী পূর্ব কালীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,স্কুলের সংস্কার কাজের জন্য ছবি রাখা হয়েছে ব্যস্ততার জন্য নির্দিস্ট কক্ষে টানাতে পারিনি এখন ঠিক করা হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শামসুল আলম বলেন, অভিযোগের সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মাদ আশরাফুল আলম বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি এটা তিনি কোনভাবেই ঠিক করেননি, আমি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে বলে দিয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।







