সঞ্জয় ব্যানার্জী, দশমিনা : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার মধ্য রনগোপালদী গ্রামের শুভ্র সূচি দাসের সহধর্মীনি ও গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া হাট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষিকা দীপা দাসের মৃত্যুকে ঘিরে শোক ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তার মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন একটি ষ্ট্যাটাস দিয়েছেন একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা দীপিকা দেবনাথ। ওই পোষ্টে তিনি দপিা রানী দাসের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পরোক্ষভাবে সুষ্ঠু তদন্তের আহবান জানিয়েছেন।
দীপিকা দেবনাথ তার নিজের ফেসবুক পোষ্টে লেখেন, একসময় দীপা রানী দাসের সঙ্গে তোলা ছবিগুলো তাকে অনেক আনন্দ দিত। কিন্তু দীর্ঘদিন পর সেই ছবিগুলো দেখতে গিয়ে তিনি গভীরভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন।
“আমরা সবাই একদিন ছবি হয়েই থাকব, কিন্তু এই ছবির একজন মানুষ এভাবে হঠাৎ আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন, তা ভাবতেই পারছিনা।” তিনি পোষ্টে আরো উল্লেখ করেন, মৃত্যুর আগের বিকালেও দীপা রানী দাসকে হাসিখুশি দেখেছিলেন। তাই হঠাৎ এমন মৃত্যুকে তিনি মেনে নিতে পারছেননা। তার ভাষায়, “কত লড়াকু নারী ছিলেন আপনি। কখনো তো আপনাকে হতাশ হতে দেখিনি। তাহলে কী অণ্য কিছু হয়েছিল ? সত্যিটা কী ভয়ংকর কিছু ?”
দীপিকা দেবনাথ আরও দাবি করেন, জীবিত অবস্থায় দীপা রানী দাসকে তিনি বারবার স্বামীর বাড়িতে ফিরে না যেতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে দীপা রানী দাস স্বামী-সন্তান ও শাশুড়িকে নিয়ে একসঙ্গে সংসার করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন বলে তিনি পোষ্টে লেখেন।
পোষ্টের শেষ অংশে তিনি গভীর শোক প্রকাশ করে লেখেন, “মানতে পারছিনা ম্যাডাম, কিছুতেই মানতে পারছি না। ওপরে শান্তিতে থাকুন। শান্তির ঘুম ঘুমান ম্যাডাম।”
ঊল্লেখ্য, এর আগে দীপা রানী দাসের মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বামীর বিরুদ্ধে দঅর্ঘদিনের নির্যাতনের াভিযোগ তুলে সূষ্ঠু তদন্তের দাবী জানিয়েছেন সহকর্মীসহ স্বজনরা। এঘচনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।







