পটুয়াখালীতে স্থানীয় তরুণ সংগঠকদের নিয়ে “টেকসই উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন: তরুণ সংগঠকদের করণীয়” শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী শহরের এসডিএ রিসোর্স অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), পটুয়াখালীর আয়োজনে এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সহযোগিতায় এ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
সনাক পটুয়াখালীর সভাপতি অ্যাডভোকেট শহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালাটি পরিচালনা করেন টিআইবির সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের কো-অর্ডিনেটর কাজী শফিকুর রহমান।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে টিআইবির সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের কো-অর্ডিনেটর কাজী শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন অপরিহার্য। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন ছাড়া প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সমাজের সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। তরুণরাই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শক্তি এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কেবল দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব।’’
তিনি তাঁর আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের মূল উপাদান, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, তা থেকে উত্তরণের উপায়, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি), তথ্য অধিকার আইন এবং সুশাসন নিশ্চিতে স্থানীয় তরুণ সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট শহিদুর রহমান বলেন, ‘‘দেশের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। সাধারণ মানুষ সচেতন হলে প্রতিষ্ঠানগুলো আরও দায়িত্বশীল হবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি অনেকাংশে কমে আসবে। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’’
কর্মশালায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সনাকের ইয়েস বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক মো. জাবেদুল হক খান এবং কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন টিআইবির সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর মো. ফিরোজ উদ্দিন।
এতে পটুয়াখালী জেলার ২০টি স্থানীয় সংগঠনের ৩৬ জন তরুণ প্রতিনিধি অংশ নেন। দলীয় কার্যক্রমের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান দুর্নীতির চিত্র, তা প্রতিরোধের উপায় এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তরুণদের করণীয় বিষয়ে আলোচনা ও উপস্থাপনা করেন।







