কুয়াকাটা প্রতিনিধিঃ ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির সাথে সাপ্তাহিক ছুটি নিয়ে টানা তিন দিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে অগ্রীম বুকিং শুরু হয়েছে সাগরকন্যা কুয়াকাটায়। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত কুয়াকাটা থাকা আবাসিক হোটেলগুলোর প্রায় ৬০ শতাংশ রুম ইতোমধ্যে অগ্রীম বুকিং হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার।
তিনি আরো বলেন, আগামী ২৮-৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কুয়াকাটায় থাকা প্রথম শ্রেণীর হোটেলগুলো ইতোমধ্যে ৭০-৮০ শতাংশ এবং এছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেনীর হোটেল গুলোতে প্রায় ৫০ শতাংশ রুম ইতোমধ্যে অগ্রীম বুকিং হয়ে গেছে। এই সময়টাতে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে এত বুকিং আমরা কখনই পাইনি। আগামী শীত মৌসুমে অনেক পর্যটক কুয়াকাটা আসবে তার একটি পূর্ব লক্ষণ বলা যেতে পারে।

হোটেল খান প্যালেসের পরিচালক মো. সাকুর বলেন, আগামী ২৮ ও ২৯ তারিখ দুইদিন ইতোমধ্যে আমাদের ৮০ শতাংশ ৩০ তারিখের ৭০ শতাংশ রুম বুকিং হয়ে গেছে। এখনো প্রায় ১০ দিন বাকি আশাকরি এর মধ্যে শতভাগ বুকিং হয়ে যাবে।
হোটেল মিয়াদ ইন্টারন্যাশনাল এর পরিচালক ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, আমরা এই ঈদে মিলাদুন্নবীর বন্ধকে কেন্দ্র করে ভালো একটা বুকিং পাচ্ছি ইতিমধ্যে অনেকগুলো ফোনও পেয়েছি। তবে আমাদের পুরোপুরি বুকিং হয়নি ইতিমধ্যে আমাদের ৫০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে। বাকিদের সময় আছে তার মধ্যে আমরা বুকিং নিতে পারব।
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের তথ্য মতে, কুয়াকাটাতে ছোট-বড় ১৭০টি বেশি হোটেল রয়েছে যার ধারণক্ষমতা পনের-বিশ হাজার কিন্তু ছুটির দিনগুলোতে অসংখ্য পর্যটকের আগমনের কারনে অনেক পর্যটক পাশ্ববর্তী বাসাবাড়ি, গাড়ির ভিতরে রাত্রি যাপন করে আবার অনেকে সারাদিন ভ্রমন শেষে রাতে নিজ গন্তব্যেও ফিরে যায়।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ জানান, আগামী তিনদিনের ছুটিতে অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটবে কুয়াকাটায়। যে কারনে আগে থেকেই ট্যুরিস্ট পুলিশের কয়েকটি টিম মোতায়েন রয়েছে। সার্বক্ষণিক নজড়দারি ও মাইকিং করে বারবার পর্যটকদের নিরাপদে থাকার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।







