স্টাফ রিপোর্টার: কথাসাহিত্যিক রুদ্র মুহম্মদ জাহিদুল এর উপন্যাস “পথের শেষে শেষ দেখা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
কবি এসে আর খান আরিফুর রহমানের সঞ্চালনায় ও কবি আনোয়ার হোসেন বাদলের সভাপতিত্বে শনিবার বিকেলে শহীদ স্মৃতি পাঠাগারে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জাফর আহমেদ, কবি এস এম ফরিদ উদ্দীন এবং কবি গাজী হানিফ, কবি ও কলা সাহিত্যিক গাজী হানিফ, কবি আনিসুর রহমান সহকারী অধ্যাপক হাজী হামিদ উদ্দিন কলেজ,কবি লুতফুল বারি পান্না,কবি রাশেদুল রাশেদ প্রভাষক আব্দুল হাই ডিগ্রি কলেজ। এছাড়াও শহীদ স্মৃতি পাঠাগার সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন
উপন্যাস ‘পথের শেষে শেষ দেখা’ এর লেখক কথাসাহিত্যিক রুদ্র মুহম্মদ জাহিদুল বইটি উৎসর্গ করেছেন পটুয়াখালী সরকারি কলেজের প্রভাষক জনাব শতাব্দী সুকুল এবং কবি লুতফুল বারি পান্নাকে।
বর্তমান সময়ের বহুল আলোচিত তরুণ লেখক রুদ্র মুহম্মদ জাহিদুল। স্মৃতির চাদরে গল্প লেখা মানুষ। বুকের ভেতর অফুরন্ত গল্পের বসতি। সে সব গল্পেই তুলে ধরেন সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবন কাহিনী। সমাজ সেবা তার একমাত্র ইচ্ছে চাওয়া পাওয়া। তিনি মনে করেন তার দ্বারা একটি সমাজ একটি জাতি একটি দেশ সামান্য পরিমাণ উপকৃত হতে পারলে তবে-ই জন্ম স্বার্থক।
লেখালাখির প্রবল আগ্রহ থেকে সাহিত্যের সকল শাখায় বিচরণ করছেন। একের পর এক লিখছেন তুমুল পাঠকপ্রিয় সব উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ। রংধনুটা যখন আমার, মুজিব শতবর্ষ, মজার ছড়া পড়ি তার উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয় বই। লেখকের সদ্য প্রকাশিত উপন্যাস পথের শেষে শেষ দেখা উচ্ছ্বাস প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। উপন্যাসটি তিন বছর সাধনা করে লিখেছেন তিনি। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে লেখালেখির হাতেখড়ি। করোনার করুণ সময়ে উপন্যাসটি রচনা করেছেন । যেখানে উল্লেখ আছে করোনার ভয়ংকর অবস্থায় ব্যাচেলর শিক্ষার্থীদের অবস্থা কতটা কষ্টে কেটেছে। প্রতিকূল পরিবেশকে মোকাবিলা করে সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সহ সামাজিক বিভিন্ন প্রেক্ষাপট।
দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা থেকে শুরু করে ভারত, রাশিয়া, ফ্রান্সের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিনিয়ত প্রকাশিত হচ্ছে তার লেখা। তার লেখায় ফুটে উঠছে দেশপ্রেম, সমাজের নানা রূপ চিত্র। যা দিনে দিনে পাঠকের মনকে জয় করে নিচ্ছে।
রুদ্র মুহম্মদ জাহিদুল পটুয়াখালী জেলার, রাংগাবালী উপজেলার গাইয়াপাড়া গ্রামে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা খাইরুল ইসলাম টিপু এবং মাতা আফসানা আক্তার হেনেরা। টুঙ্গিবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং বড়বাইশদিয়া মাহবুবুর রহমান কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্য চর্যায় এগিয়ে যাচ্ছেন।
লেখক, পাঠকের ভালবাসা সহ জিতেছেন বেশ কয়েকটি পুরষ্কার। যার মধ্যে অন্যতম কবি সংসদ বাংলাদেশ সাহিত্য পুরষ্কার ২০২০। জসীম উদ্দিন সাহিত্য পুরষ্কার ২০২৩ এবং জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য পুরষ্কার ২০২৩। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে রামনাবাদ ও আগুনমুখা নদী। নদীর স্রোতের মতোই ভালবাসার অজস্র স্রোত বয়ে যায় গরীব দুঃখী হত দরিদ্র মানুষ গুলোর জন্য। লেখালেখি তার জীবনকে বাঁচিয়ে রেখেছে লিখে যেতে চান জীবনের শেষ বেলা পর্যন্ত। উপহার দিতে চান সাহিত্যের নতুন অধ্যায়।







