সাথী প্রতিবেদকঃ হযরত খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) আদর্শ মানুষের কল্যাণের জন্য তরুনদের মিশনের কাজে সম্পৃক্ত করেছিলেন। তিনি মনে করতেন তারুণ্য হলো মানুষের জীবনে নীতি-নৈতিকতা ও সৃজনশীল হিসেবে গড়ে উঠার সময়। পুরাতনকে ভেঙে সংস্কার করে নতুন কিছু করা যেন তারুণ্যের ধর্ম। সমাজের এই সংস্কারকাজে তরুণ সমাজকে সাহস ও সততার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।
হযরত খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এর ১৫০তম জন্মবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ২৮ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে পটুয়াখালী জেলা দুমকী উপজেলার সাতানী আমির উদ্দিন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের আয়োজনে ‘মানবতার সেবায় তারুন্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতানী আমিরউদ্দিন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুল জব্বার হাওলাদার। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন এর প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ রবিউল আমিন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিমুল চন্দ্র মন্ডল, সহকারী প্রধান শিক্ষক, হিমাংশু চন্দ্র মিস্ত্রি,সহকারী শিক্ষক, আব্দুল মালেক বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) কর্মজীবন থেকে আমাদের সুন্দর জীবন গঠনে শিক্ষা নেয়ার আছে। দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ তরুণ ও যুবক। বিভিন্ন আর্থ সামাজিক বৈচিত্র্যসহ বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবতে হলে তরুণদের কথা ভাবতে হবে। তরুণেরা বৈশ্বিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবে। তাই তরুণদের আদর্শবান ও নৈতিক প্রজন্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নের কথা বলেছিলেন। আমাদের দেশের তরুণদের অর্জন অনেক। খেলাধুলা, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তরুণেরা এগিয়ে যাচ্ছে। তবে তরুণদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের শক্তি দেশ ও জাতির জন্য সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা যেমন স্পষ্ট নয়, তেমনি তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। আজকের তরুণ সমাজই ভবিষ্যতের নীতি নির্ধারক। তাই তাদের গড়ে তুলতে আমাদের সক্রিয় হতে হবে এবং বেশী করে খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা আদর্শ বাস্তবায়ন তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।আলোচনা সভা শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।







