দুমকি প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তার দ্রুত অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় ছাত্রজনতা।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় দুমকি-বাউফল মহাসড়কের উপজেলা পরিষদ প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে উপজেলার নতুন বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
কর্মসূচি থেকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুমকি ইউএনও-কে অপসারণের চূড়ান্ত দাবি জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ইউএনও আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেন না। এ ছাড়া সাধারণ সেবাগ্রহীতারা তার কক্ষে প্রবেশের অনুমতি পান না এবং জরুরি প্রয়োজনে কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন না।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়ম এবং গত ৫ আগস্ট ‘জুলাই যুদ্ধা’দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মূল বীরদেরই আমন্ত্রণ না জানিয়ে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে স্থানীয় ছাত্রজনতার পক্ষে বক্তব্য রাখেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম, শারমিন আক্তার স্বর্ণা, সাইফুল আলম, আবু রাফি এবং শ্রীরামপুরের চরবয়ড়া এলাকার বাসিন্দা নাজেম সরদার প্রমুখ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্যামেরা বা অডিও রেকর্ডে কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।
অন্যদিকে, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, বিষয়টি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখবেন এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।







