দুমকি প্রতিনিধি : পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদ ক্লাবের উদ্যোগে ‘‘Higher Studies and Research in Germany’’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় টিএসসি কনফারেন্স কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. নুরুল আমিন-এর সভাপতিত্বে এবং শিক্ষার্থী রাফিন আফসার-এর সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম হেমায়েত জাহান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, ‘‘একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন এবং মেধার যথাযথ বিকাশ অপরিহার্য। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে উচ্চশিক্ষা ও উন্নত গবেষণা যেকোনো দেশের টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।’’
পবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জার্মানির উচ্চশিক্ষার সুযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, জার্মানি বর্তমান বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং পরিবেশগত গবেষণার অন্যতম শীর্ষ দেশ হিসেবে পরিচিত। এখানকার অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো টিউশন ফি বা শিক্ষণ ফি নেওয়া হয় না, যা মধ্যবিত্ত ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিশাল সুযোগ।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বমানের ল্যাবরেটরি, আধুনিক প্রযুক্তি এবং পর্যাপ্ত গবেষণা তহবিলের জন্য সুপরিচিত। মেধা কেবল দেশের অভ্যন্তরে সীমাবদ্ধ না রেখে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উন্নত জ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে এর সমন্বয় ঘটানোর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সরকার দেশের তরুণদের মেধাকে শানিত এবং বৈশ্বিক মানের করার জন্য শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি, গবেষণা তহবিল গঠন, বৃত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ ও আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপনের মতো বহুমুখী কাজ করে যাচ্ছে।
সেমিনারের দ্বিতীয় পর্বে জার্মান একাডেমিক এক্সচেঞ্জ সার্ভিস (DAAD)-এর রিজিওনাল অফিসার মাহমুদুল হাসান সুমন মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের মোট ১৬০ জন শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।







