কলাপাড়া প্রতিনিধি : পর্যটন নগরী সাগরকন্যা কুয়াকাটায় জালনোট প্রচলন রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের যুব পান্থ নিবাস হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক, বরিশাল কার্যালয়ের আয়োজনে এবং মহিপুর থানার কুয়াকাটা, আলীপুর ও মহিপুর এলাকার ১৪টি তফসিলি ব্যাংকের সহযোগিতায় এই কর্মশালাটি বাস্তবায়িত হয়। এতে বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় গ্রাহকরা অংশগ্রহণ করেন।
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, পটুয়াখালী আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান মো. মনিরুজ্জামান মোল্লার সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক, বরিশাল কার্যালয়ের পরিচালক মো. এমদাদুল হক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক, বরিশাল কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক সঞ্জয় কুমার দত্ত। এছাড়া অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, কুয়াকাটা শাখা ব্যবস্থাপক এ কে এম মোর্শেদ।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অগ্রণী ব্যাংক কুয়াকাটা শাখা ব্যবস্থাপক মো. সোহেল রানা। তিনি প্রজেক্টরের মাধ্যমে জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে আসল ও নকল নোটের পার্থক্য এবং সহজে আসল নোট চেনার বিভিন্ন কৌশল উপস্থিত সবার সামনে তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, বরিশালের পরিচালক মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘‘আমাদের দেশের মানুষ এখনো পুরোপুরি সচেতন নন, যার কারণে জালনোট রোধে নিয়মিত এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ আয়োজন করতে হয়। আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সকলের মাঝে সচেতনতাই একমাত্র জালনোটের বিস্তার রোধ করতে পারে।’’
এ সময় স্থানীয় ব্যাংকগুলোর সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি ব্যাংক ব্যবস্থাপকদের সতর্ক করে বলেন, ‘‘এখানে আসার পর জানতে পেরেছি স্থানীয় ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের ছেঁড়াফাটা নোট নিতে চায় না। এ ধরনের কোনো অভিযোগ ভবিষ্যতে পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
কর্মশালায় অগ্রণী ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, আল আরাফা ইসলামী ব্যংক, সোনালী ব্যাংক, বেসিক ব্যংক, রুপালী ব্যংক, পুবালী ব্যাংক, ইসলামী ব্যংক সহ ১৪ টি তফসীলী ব্যংক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।







