দুমকি প্রতিনিধি : সংবাদ প্রকাশের পরপরই পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে এ সহায়তার শুকনো খাবার তুলে দেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ভিটেমাটি হারা পরিবারগুলোর দূরবস্থা নিয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনগুলো নজরে আসার সাথে সাথেই দ্রুত ব্যবস্থা নেয় উপজেলা প্রশাসন।
সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
নদীভাঙনে সবকিছু হারিয়ে রাস্তার পাশে অস্থায়ীভাবে বসবাস করা এক বাসিন্দা বলেন, ‘‘সাময়িক সহায়তা পেয়ে আমরা খুশি। তবে জায়গা-জমি ও ঘরবাড়ি হারিয়ে আমরা দিশেহারা। সরকার যদি আমাদের পুনর্বাসনের স্থায়ী ব্যবস্থা করে দেয়, তবেই আমরা পরিবার নিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাব।’’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জানান, ‘‘সাংবাদিকদের প্রকাশিত খবরের মাধ্যমেই আমরা বিষয়টি বিস্তারিত জানতে পারি। তাৎক্ষণিকভাবে ১০টি পরিবারকে শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে বাকি ৩০টি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’
তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর স্থায়ী আবাসন নিশ্চিত করতে এবং নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হয়েছে।







