পটুয়াখালীতে নাগরিক নেতা, জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে তথ্য অধিকার দিবস-২০২৬ পালন করল বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট এজেন্সী (এসডিএ)।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
“ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ: অপতথ্য রোধে তথ্য অধিকারের ভূমিকা” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসটি পালিত হয়।
দাতা সংস্থা এম্বাসী অব সুইজারল্যান্ড, গ্লোবাল এফেয়ার্স কানাডা, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)-এর অর্থায়নে এবং ‘নাগরিক’ প্রকল্পের আওতায় পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট (উইক্যান) ও সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট এজেন্সী (এসডিএ) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে সামনের মহাসড়কের শিয়ালী বাজার প্রদক্ষিণ করে।
পরবর্তীতে বদরপুর শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিরোদ লাল বৈদ্যের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক অনিমেষ কান্তি হাওলাদার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক বলেন, “ডিজিটাল এই যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সঠিক তথ্য আর অপতথ্যের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করা কঠিন হয়ে উঠছে। সোশ্যাল মিডিয়া এখন জনমতের ওপর প্রভাব ফেলছে। প্রতিনিয়ত মিথ্যা, অতিরঞ্জিত ও অর্ধসত্য তথ্যের কারণে মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে, যা সমাজে অসহিষ্ণুতা তৈরি করছে এবং ন্যায়বিচারকে বাধাগ্রস্ত করছে। অবাধ তথ্যপ্রবাহের সুফল পেতে এবং অপতথ্যের প্রসার রোধে নাগরিকদের তথ্য অধিকার আইন ২০০৯-এর সঠিক ও সুনির্দিষ্ট প্রয়োগ বাড়াতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিনিধি সহকারী পরিদর্শক রিনা রানী, সমাজসেবা কর্মকর্তা (রেজিস্ট্রেশন) মো: মাহাবুবুর রহমান, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো: আবু জাফর, এসডিএ-এর নির্বাহী পরিচালক কে এম এনায়েত হোসেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক বিমল চন্দ্র পাল, এসডিএ’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার সৈকত মজুমদার সৌরভ এবং ইউপি সদস্য মো: কামরুল হাসান লালমিয়া।
সহকারী শিক্ষক মো: মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এসএমসি সদস্য, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, নাগরিক নেতা, নারী নেত্রী ও শিক্ষার্থীবৃন্দসহ প্রায় ৪৫০ জন অংশগ্রহণ করেন।







