গলাচিপা প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর গলাচিপায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া বিপুল পরিমাণ চন্দনা মাছ জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য অফিস ও পুলিশ। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মাছগুলো ইলিশ না হওয়ায় আটক দুই ব্যবসায়ীকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং জব্দকৃত মাছ স্থানীয় বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার গুরিন্দা বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাছ ব্যবসায়ী মো. ইছা ও আল আমিন ইঞ্জিনচালিত টমটমে করে কিছু মাছ গলাচিপায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। চলমান নিষেধাজ্ঞার সময় মাছ পরিবহনের বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে সাংবাদিক ও স্থানীয় জনসাধারণ পুলিশ ও উপজেলা মৎস্য অফিসকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও মৎস্য অফিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাছগুলো জব্দ করেন এবং ওই দুই ব্যবসায়ীকে আটক করেন।
পরে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলেই মাছগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। মাছগুলো ইলিশ নয়—চন্দনা প্রজাতির নিশ্চিত হওয়ার পর, ভবিষ্যতে নিয়ম অমান্য না করার শর্তে আটক দুই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে গলাচিপা থানা চত্বর থেকে জব্দ করা চন্দনা মাছগুলো উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন জানান, ‘‘নিষেধাজ্ঞা চলাকালে মাছের অবৈধ আহরণ, পরিবহন ও বিক্রি রোধে আমাদের এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে। জব্দ করা মাছগুলো নষ্ট না করে মানবিক দিক বিবেচনা করে বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।’’







