Saturday, September 5, 2026
ই-পেপার
দৈনিক সাথী
  • Login
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • লাইফ স্টাইল
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলাধূলা
  • লাইফ স্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক সাথী
No Result
View All Result
Home জাতীয়

ত্রাণ নয়, টেকসই বাঁধ ও আশ্রয় কেন্দ্র চাই

আজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর 'সিডর' দিবস; এখনও ঝুঁকিতে উপকূল

Jahirul Islam by Jahirul Islam
November 14, 2023
ত্রাণ নয়, টেকসই বাঁধ ও আশ্রয় কেন্দ্র চাই
Share on FacebookShare on Twitter

এ.এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়াঃ আজ সেই ভয়াল ১৫ নভেম্বর। পটুয়াখালীর কলাপাড়াসহ উপকূলবাসীর বিভীষিকাময় এক দুঃস্বপ্নের ও ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকারের দিন। ২০০৭ সালের এই দিনে বিস্তীর্ণ এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস ক্ষতবিক্ষত করে দেয় বিভিন্ন এলাকার জনপদ। উপকূলীয় জনপদগুলো মৃত্যুপুরীতে পরিণত করে দেয়। ওই শতাব্দীর ভয়াবহ ওই ঘূণিঝড়ে প্রাণ হারিয়ে ছিলো ও নিখোজ হয়ে ছিল অনেক মানুষ। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর, ঘরবাড়ী আর সহায় সম্বল হারিয়ে মানুষ হয়ে পড়েছিলো অসহায়। সিডরের ক্ষয় ক্ষতি এখন ও বহন করে চলেছেন অধিকাংশ পরিবার।
এক এক করে ১৬ বছর পেরিয়ে গেল। আজও কান্না থামেনি স্বজনহারা মানুষের। রয়ে গেছে সেই ক্ষত। কিন্তু এত বছর পরও ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় উপজেলায় প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত আশ্রয় কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষ আজো প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতে রয়েছে।
সরেজমিনে উপজেলা বিভিন্ন দুর্যোগপ্রবণ এলাকা ঘুরে জানা গেছে, ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই দিনের দুঃসহ স্মৃতি আজো জেগে আছে স্বজন হারাদের মনে। দুঃস্বপ্নের মত আজো তারা করে তাদের ভয়াবহ সিডরের ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি উপজেলার উপকূল বাসী। স্বাভাবিক হয়নি সিডর বিধ্বস্ত উপকূলবাসীর জীবনযাত্র। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর, এখনও এক দুঃসব ঘরবাড়ী আর সহায় সম্বল হারিয়ে মানুষ হয়ে পড়েছিলো অসহায়। সিডরের ক্ষয় ক্ষতি এখন ও বহন করে চলেছেন অধিকাংশ পরিবার। ‘এলাকার ভুক্তভোগী প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের একটি দাবী’
‘মোগো গ্রামে কোনও বাঁধ নাই রাবনাবাঁধ ও আন্দারমানিক নদী হগোল (সব) বাঁধ গিল্লা খাইয়া হালাইছে। এহোন ভাঙা বাঁধ দিয়া জোবার (জোয়ার) পানি ঢুইক্যা মোগো গ্রামের ঘর-দুয়ার জায়গা-জমি মাঠ-ঘাট হগোল পানিতে তলাইয়া যায়। মোরা ভাত চাই না ত্রাণ চাই না, চাই একটা টেকসই বেড়িবাঁধ’। এ কথাগুলো বলছিলেন পটুয়াখালী জেলার উপকূলীয় উপজেলা কলাপাড়া বেড়িবাঁধ বিহীন ধানখালী, লালুয়া, ধুলাসার, মহিপুর, নীলগঞ্জ, মিঠাগঞ্জ এলাকার ভুক্তভোগীরা।
২০০৭ সালের ১৪ নভেম্বর সারা দেশের আকাশ ছিল মেঘলা। আবওহায়াবিদরা প্রথমে ৫ নম্বর সংকেত দিতে থাকেন। রাতে তা বৃদ্ধি হয়ে ৮ নম্বর বিপদ সংকেতে গিয়ে পৌছায়। ১৫ নভেম্বর সকালে ঘোষনা করা হয় সিডর নামের ঘূণিঝড় এগিয়ে আসছে বাংলাদেশ উপকূলীয় অঞ্চলে। দুপুর নাগাদ তা বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করবে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত। রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সিডর আঘাত হানলো উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ের তীব্রতা কমে যাওয়ার পর শুরু হয় স্বজনদের খোজাখুঁজি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালী ও কলাপাড়া দপ্তর সূত্রে জানা যায়, কলাপাড়া সার্কেলের অধীনে রয়েছে রয়েছে ৫১৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে ক্ষতি গ্রস্থ বেড়িবাঁধ রয়েছে ৬ কি.মি।
আজ ১৫ নভেম্বর সিডর তান্ডবের ১৬ বছর হচ্ছে। ঠিক ১৬ বছর আগে আজকের এই কালো রাত্রিতে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রায় পৌনে ৩ শ’ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হেনেছিল। মাত্র কয়েক মিনিটে ১০ থেকে ১২ ফুট সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। নিমেষেই উড়ে যায় ঘরবাড়ি, গাছ-পালা। মাটির সাথে মিশে যায় বহু স্থাপনা, রাস্তা ঘাট, পশু-পাখি ও জীবজন্তু। বিধ্বস্ত হয় বেড়িবাঁধ। আহত হয় হাজার হাজার মানুষ। প্রাণ হারায় উপজেলার ৯৪ জন মানুষ। সেই অভাবনীয় দুর্ভোগের রাতে অনেকের সাজানো সংসার চিরতরে হারিয়ে যায়। ভেঙে যায় অনেকের লালিত স্বপ্ন। প্রকৃতি যে মানুষের ওপর এতটা নিষ্ঠুর আচরণ করতে পারে ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বরের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডর তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। কোনো দিন ওই স্মৃতির কথা ভুলতে পারবে না উপকূলীয় এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো মানুষ। এই রাতে শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াল সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় উপকূলীয় অঞ্চল লন্ডভন্ড করে দেয়। উপকূলীয় অঞ্চলের শত শত মানুষের জীবন প্রদীপ নিভে যায়। মারা যায় হাজার হাজার গবাদি পশু। আগের দিনও যে জনপদ ছিল মানুষের কোলাহলে মুখরিত, মাঠ জুড়ে ছিল কাঁচা-পাকা সোনালি ধানের সমারোহ, পরের দিনই সেই চিরচেনা জনপদ পালটে যায়। এ দিন বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপে সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। নিম্নচাপটি কয়েকবার গতি পরিবর্তন করে মধ্যরাতে অগ্নিমূর্তি ধারণ করে। রাতে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানে ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা উপকূলীয় অঞ্চলে। সিডর আঘাত হানার পর ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও ক্ষতিগ্রস্তরা বাঁধের যথাযথ সংস্কার কিংবা পুনর্র্নিমাণ না হওয়ায় সাগর পাড়ের বাসিন্দাদের আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার মানুষকে প্রতি বছর ঝড়-জলোচ্ছ্বাস মোকাবিলা করে চলতে হয়। প্রয়োজনের তুলনায় আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা কম হওয়ায় ২,৩৭,৮৩১ জন মানুষ চরম ঝুঁকিতে বাস করছে। এ অবস্থায় যে পরিমাণ আশ্রয়াকেন্দ্র রয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল্য। তাই যেকোনো দুর্যোগ এলেই চরাঞ্চল থেকে মানুষকে অনেক ঝুঁকি নিয়ে মূল ভূখন্ডে নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে হয়। আবার অনেকে চরম ঝুঁকি নিয়ে চরেই বসবাস করে।
ভয়াবহ সুপার সাইক্লোন সিডরে এ উপজেলায় ৯৪ জনের মৃত্যু হয়। আহত হয় এক হাজার ৭৮ জন। সেই ঘটনার জের ধরে আজো নিখোঁজ রয়েছেন ৮ জেলে। স্বজন হারাদের কাছে তাদের খোঁজ খবর নিতে গেলে তারা বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন।
সিডরের তান্ডবে নিজামপুর ও কমরপুর পয়েন্টের ৪৭/১ পোল্ডারের বাঁধটি ভেঙ্গে যায়। এর পর কয়েক দফা মেরামত করা হলেও বঙ্গোপসাগর লাগোয়া আন্ধার মানিক নদী মোহনার ঢেউয়ের তোড়ে ফের বাঁধটি বিধ্বস্ত হয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের আভিযোগ, মেরামত কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের হওয়ায় এ বাঁধ পুন:রায় বিবধস্ত হয়েছে। এছাড়া তবে বাঁধটির ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
নিজামপুর গ্রামের সাবেক প্রাঃ বিঃ প্রধান শিক্ষক শামসুল হক ভদ্র বলেন, ‘ সিডরের ভাঙ্গা বেরিবাঁধ এখনও রয়ে গেছে। কোনে রকম রাস্তা দিয়ে পানি প্লাবন থামানো হয়েছে ও বালির বস্তা দেওয়া হয়েছে কিন্তু আবার সিডরের মত বন্যা হলে ওই বাধ কোন কাজে আসবে না।’
রাবনাবাদ নদীর ঢেউয়ের তোড়ে দেবপুর বেড়িবাঁধের করমজাতলা অংশের ২৩৮ মিটার বেরী বাঁধ ধ্বসে পড়েছে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ধানখালী ও চম্পাপুর ইউনিয়নের মানুষ।
চম্পাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাহবুব আলম বাবুল মৃধা জানান, দেবপুর বেড়িবাঁধের করমজাতলা অংশটি এ বাঁধের দেবপুর অংশের মেরামত করা হলেও এই অংশটি থেকে গেছে অরক্ষিত। কিন্তু এলাকার মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কমেনি।
ধানখালী ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাদা পারভেজ টিনু জানান, এ বছর বর্ষা মৌসুম শুরুর পরই টিয়াখালী নদীর ভাঙ্গনে হাফেজ প্যাদা বাঁধের বিভিন্ন অংশ নদীতে ধ্বসে পড়েছে।
মিঠাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন খান দুলাল জানান, মিঠাগঞ্জ বেড়িবাঁধের ১০০ মিটার বেরী বাঁধ সোনাতলা নদীতে ধ্বসে পড়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সাত গ্রামের মানুষ।
মহিপুর ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: জাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, আরো বছরখানেক আগে চিকন ভাবে ছোট রাস্তা করেছে। মজবুত ভাবে বেরিবাঁধ করে নাই। ওখানে ১ কিলোমিটার বাঁধ ঝুঁকিতে রয়েছে।
একই অবস্থা কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গইয়াতলা বেড়িবাঁধের। এ বাঁধের প্রায় ৩০০ মিটার নদী গর্ভে ভেঙ্গে গেছে।
কলাপাড়া সিপিপি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, উপজেলায় দুর্যোগ মোকাবিলায় বর্তমানে ১৭০টি আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি ২০টি মুজিব কিল্লা নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা ৩ হাজার ১০০শত ৬০ জন সিপিবি কর্মী দুর্যোগকালে মাঠে কাজ করেন। দুর্যোগপ্রবণ দুর্যোগ প্রতি রোধে আমরা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছি। সব ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য আমরা এখন সক্ষম।
কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.রাকিব হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্থ বেঁরিবাধ সরেজমিনে পরিদর্শন করে শুস্ক মওসুমে মেরামত করা হবে। ক্ষতিগ্রস্থ ৬কিঃমিঃ বেরিবাঁধ রয়েছে তা উর্ধবতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কলাপাড়া নির্বাহী কর্মকতা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আগের চেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ বেরিবাঁধ অনেক কমে গেছে। যে কোন বন্যা নিয়ন্ত্রন করা জন্য সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রয়েছে ও ১৭০টি আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি ২০টি মুজিব কিল্লা নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা ৩ হাজার ১০০শত ৬০ জন সিপিবি কর্মী দুর্যোগকালে মাঠে কাজ করে থাকেন।

Plugin Install : Subscribe Push Notification need OneSignal plugin to be installed.
Jahirul Islam

Jahirul Islam

Recommended.

গলাচিপায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দুই গ্রুপের হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

গলাচিপায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দুই গ্রুপের হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

September 1, 2026
লঘুচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীতে বৈরী আবহাওয়া, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত

লঘুচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীতে বৈরী আবহাওয়া, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত

August 13, 2026

Trending.

পটুয়াখালী সফরে আসছেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা

পটুয়াখালী সফরে আসছেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা

September 3, 2026
দুমকিতে মসজিদ থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার, নেপথ্যে আত্মহত্যা না হত্যা?

দুমকিতে মসজিদ থেকে মুয়াজ্জিনের লাশ উদ্ধার, নেপথ্যে আত্মহত্যা না হত্যা?

August 28, 2026
নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে প্রচারণার অভিযোগে পবিপ্রবির ৮ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে শোকজ

নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে প্রচারণার অভিযোগে পবিপ্রবির ৮ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে শোকজ

August 19, 2026
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এএনএসভিএম অনুষদের প্রধান ফটক উদ্বোধন

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এএনএসভিএম অনুষদের প্রধান ফটক উদ্বোধন

September 3, 2026
মির্জাগঞ্জ মধ্য আমড়াগাছিয়া প্রাইমারি স্কুলের সভাপতি হলেন শান্তা মনি

মির্জাগঞ্জ মধ্য আমড়াগাছিয়া প্রাইমারি স্কুলের সভাপতি হলেন শান্তা মনি

August 18, 2026
Logo

দৈনিক সাথী কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।

সম্পাদক : আনোয়ার হোসেন
প্রকাশক : সৈয়দ জহিরুল হক
ই-পেপার
Facebook Twitter Youtube

প্রধান কার্যালয় –
স্বনির্ভর রোড, লঞ্চ ঘাট, পটুয়াখালী – ৮৬০০।

  • +880 1712201898
  • +880 1768992488
  • satheeanwar@gmail.com
  • সাথী পরিবার
  • প্রাইভেসি
  • যোগাযোগ
  • বিজ্ঞাপনের মূল্য তালিকা
স্বত্ব © ২০২৩ দৈনিক সাথী | ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Cube Techi - cubetchi.com

Add New Playlist