Saturday, April 18, 2026
ই-পেপার
দৈনিক সাথী
  • Login
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • অর্থনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • লাইফ স্টাইল
  • সর্বশেষ
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • অর্থনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • লাইফ স্টাইল
  • সর্বশেষ
No Result
View All Result
দৈনিক সাথী
No Result
View All Result
Home জাতীয়

ঝুঁকিপুর্ন ভবনে চলছে স্বাস্থ্যসেবা ১৪ পদের ৯টিই শূন্য,নেই চিকিৎসক

কলাপাড়ায় ৭ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

Jahirul Islam by Jahirul Islam
November 22, 2023
ঝুঁকিপুর্ন ভবনে চলছে স্বাস্থ্যসেবা ১৪ পদের ৯টিই শূন্য,নেই চিকিৎসক
Share on FacebookShare on Twitter

কলাপাড়া প্রতিনিধি: জনবল সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যায় গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার মান খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র গুলোতে জনবল ও চিকিৎসক না থাকায় রোগীরা পাচ্ছেন না কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা। ফলে গ্রাম্য চিকিৎসক বা ওষুধের দোকানদাররাই রোগীদের ভরসা। রোগীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদের ছুটতে হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এদিকে তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সুত্র জানা গেছে, উপজেলা ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র আছে। পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় গুলো ৬রুম বিশিষ্ট। বসবাসের কোয়াটার অবস্থা ভাল নেই। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে রয়েছে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। সরকারিভাবে এসব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে বিনা মূল্যে ওষুধ সরবরাহ ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য জনবলের সৃষ্ট পদ রয়েছে। কিন্তু জনবল সংকটে গ্রামের সরকারি এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হচ্ছে। সৃজনকৃত পদ আছে কিন্তু জনবল নেই। কলাপাড়ায় ৭ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র মধ্যে ৫টির ভবন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। চাকামইয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, লালুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, নীলগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, লতাচাপলী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এসব ভবনেই আতঙ্ক নিয়ে সেবা দিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ভবন ধসের আশঙ্কায় থাকেন রোগীরাও। পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় গুলো ১৯৮৭ সালে ৪৫ শতাংশ জমির ওপর স্থাপিত হয়। উপজেলাবাসীর ভরসা ৭টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। কিন্তু পদ থাকলেও স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুলোতে অনেক চিকিৎসক নেই। ৭টি কেন্দ্রের মেইন ১৪ পদের ৯টিই শূন্য। এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রতিতে সৃষ্ট জনবলের পদ রয়েছে পাঁচটি। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অধীনে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র গুলোতে ংধসপসড় একজন , ঋ ড ঠ এক জন, ফার্মাসিস্ট এক জন ও এম এল এস এস এক জন, আয়া এক জন।
বুধবার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র জনবলের ঘাটতি রয়েছে। অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে এনে সপ্তাহে পালন করে চালু রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলোতে গর্ভবর্তী মায়েদের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। গর্ভ ধারন থেকে শুরু করে সন্তান জন্মদানের পুরো সময়টাতেই চিকিৎসা নিতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে তাদের। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে মাতৃস্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা, পিল, কন্ডম, ইমপ্লাসন, আইউডি এবং গর্ভকালীন ও প্রসব পরবর্তী অন্যান্য সেবা দেয়া হয়। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ে গর্ভবর্তী মায়েরা। কেন্দ্রগুলোতে ২৪ ঘন্টা নিরবচ্ছিন্ন প্রসবকালীন সেবা প্রদান করার কথা। কিন্তু জনবল সঙ্কটের কারনে কেন্দ্র গুলো ২৪ ঘন্টা সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিন এলাকার রোগীদেও নিরুপায় হয়ে যেতে হচ্ছে শহর কিংবা অন্য কোনো প্রাইভেট ক্লিনিকে।
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, কলাপাড়ায় ৭টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র বিভিন্ন রোগের প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। এসব ক্লিনিকের মধ্যে চাকামইয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, লালুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, নীলগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, ধানখালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, ধুলাসার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, লতাচাপলী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জরাজীর্ণ এসব ক্লিনিক ৩৬ বছর আগে নির্মিত হয়। এরপর আর সংস্কার না করায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। ৭টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের শুন্য পদ হলো- চাকামইয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র। লালুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র। মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র। নীলগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র, ধানখালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র। ধুলাসার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র। লতাচাপলী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র।
নীলগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র গিয়ে দেখা গেছে, ভবনগুলোর ছাদ ও চারপাশের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। পলেস্তারা খসে পড়ছে। দরজা-জানলা ভাঙা। কোনো কোনো ভবনের মেঝে দেবে গেছে। বৃষ্টি পানি ছাদ চুইয়ে শ্যাওলা পড়েছে। বর্ষাকালে দেয়াল ও ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ে। পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থাও নেই। যে কোনো সময় পুরো ভবনটি ধসে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। এভাবে একই অবস্থা মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র। চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর জন্য সরকার ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করে। এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্বাস্থ্য বিভাগ ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তবে ইউনিয়ন সংখ্যা অনুসারে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ঘাটতি রয়েছে। কেননা সব ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। আর যেগুলো রয়েছে তাতেও নানা সংকটে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আশানুরূপ সেবা পাচ্ছেন না। জনবলের ঘাটতি সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
নীলগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রের মোসা. আয়শা আক্তার বলেন, গড়ে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫জন রোগী ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নানা সমস্যার মধ্যে তাদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে বড় সমস্যা ঝুঁকির্পূর্ণ ভবন। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ভবন আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ছাদ থেকে বড় বড় পলেস্তারা খসে পড়ছে। কর্তৃপক্ষ এসব মেরামতের উদ্যোগ নিচ্ছে না।
লালুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র ভিজিটর ছগির হোসেন বলেন, প্রতিদিনই ভয়ে ভয়ে থাকি, কখন মাথায় পলেস্তারা খসে পড়ে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় জরাজীর্ন ভবনে বসে অন্তঃসক্তা মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে হচ্ছে।
মজিদপুর গ্রামের আকলিমা বেগম / নাওভাঙ্গা গ্রামের হোসনে আরা বেগম চিকিৎসা নিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসেছেন। তিনি বলেন, বড় ডাক্তার নাই। গরিব মানুষ, কলাপাড়া-পটুয়াখালী যাইয়া ডাক্তার দেহাইতে অনেক টাকা খরচ হইবে। এই জায়গায় একজন ডাক্তার থাকলে হেরে দেহাইতে পারতাম।
কলাপাড়া উপজেলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান রনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা করে বেশ কয়েকবার হেলথ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টকে লিখিত ভাবে জানানো হয়েছে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র গুলোতে জনবল কম থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জনবল কম থাকার বিষয়টি জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।

Plugin Install : Subscribe Push Notification need OneSignal plugin to be installed.
Jahirul Islam

Jahirul Islam

Recommended.

কলাপাড়ায় চার সন্তানের জননীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কলাপাড়ায় চার সন্তানের জননীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

November 12, 2023
দুমকিতে আওয়ামীলীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ

দুমকিতে আওয়ামীলীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ

November 7, 2023

Trending.

পটুয়াখালীতে ৬ষ্ঠ জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন

পটুয়াখালীতে ৬ষ্ঠ জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন

March 2, 2024
যারা অন্যের ভোট দেয়, তারা ডাকাত; ইসি হাবিব

যারা অন্যের ভোট দেয়, তারা ডাকাত; ইসি হাবিব

March 4, 2024
দশমিনা উপজেলা আওয়ামিলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ ও পথসভা

দশমিনা উপজেলা আওয়ামিলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ ও পথসভা

October 15, 2023
আইসেস্কো পুরস্কার পেয়েছে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন

আইসেস্কো পুরস্কার পেয়েছে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন

February 19, 2024
জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের দুর্বল ব্যবস্থাপনায় ছন্নছাড়া প্রকল্প; বাস্তবায়নেও নয়-ছয়

জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের দুর্বল ব্যবস্থাপনায় ছন্নছাড়া প্রকল্প; বাস্তবায়নেও নয়-ছয়

January 30, 2024
Logo

দৈনিক সাথী কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।

সম্পাদক : আনোয়ার হোসেন
প্রকাশক : সৈয়দ জহিরুল হক
ই-পেপার
Facebook Twitter Youtube

প্রধান কার্যালয় –
স্বনির্ভর রোড, লঞ্চ ঘাট, পটুয়াখালী – ৮৬০০।

  • +880 1712201898
  • +880 1768992488
  • satheeanwar@gmail.com
  • সাথী পরিবার
  • প্রাইভেসি
  • যোগাযোগ
  • বিজ্ঞাপনের মূল্য তালিকা
স্বত্ব © ২০২৩ দৈনিক সাথী | ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Cube Techi - cubetchi.com

Add New Playlist