গলাচিপা প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নে পূর্ব শত্রুতার জেরে নাজমা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পানপট্টি ইউনিয়নের মিনিকুয়াকাটা লঞ্চঘাট সংলগ্ন ফরিদা গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত নাজমা বেগম উক্ত গ্রামের সুকুর হাওলাদারের স্ত্রী।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, সুকুর হাওলাদারের ক্রয়কৃত জমির সামনের ওয়াবদার জায়গায় জোরপূর্বক দোকান ঘর তুলতে যান একই গ্রামের রাহাত প্যাদা, আল আমিন প্যাদা, হাফিজুর প্যাদা ও মিরাজ প্যাদাসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন। এতে সুকুর হাওলাদারের স্ত্রী নাজমা বেগম বাধা দিলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। তার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা রক্তাক্ত ও আহত অবস্থায় নাজমা বেগমকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নাজমা বেগম বলেন, ‘‘আমাদের জায়গার সামনের ওয়াবদার জায়গায় তারা জোর করে দোকান নির্মাণ করছিল। আমি বাধা দিলে তারা আমাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।’’
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নোমান পারভেজ জানান, ‘‘নাজমা বেগম বর্তমানে আমার অধীনে হাসপাতালের ২য় তলার ২১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন আছেন। তার মাথার বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং শরীরের একাধিক স্থানে ফুলাজখম ও কালো দাগ পাওয়া গেছে।’’
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) স্বপন বলেন, জমি জমা ও দোকান ঘর তোলাকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনাটি ঘটেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রধান অভিযুক্ত রাহাত প্যাদার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, ‘‘লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’







