বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালীতে এমপ্যাথী মানসিক হাসপাতাল ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগীদের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় শহরের ঝাউতলা এলাকা থেকে র্যালিটি শুরু হয়। এরপর এটি নিউমার্কেট ও ব্যায়ামাগার মোড় প্রদক্ষিণ করে মেডিসন স্কয়ারের সামনে এসে শেষ হয়।
র্যালি শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এমপ্যাথী হাসপাতালের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এমপ্যাথী হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মেজর আব্দুল ওহাব মিনার (অব.)।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনষ্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন (আইডিইবি) পটুয়াখালী জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল আহসান মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার হুমায়ন কবির সোহাগ, পটুয়াখালী রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ এর পরিচালক (শিক্ষা) মোঃ জাকির হোসেন, পটুয়াখালী ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মোঃ হারুন অর রশিদ।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ সামিম এবং ছাত্রশক্তির পটুয়াখালী জেলা আহ্বায়ক মিরাজ ইমতিয়াজ।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজের প্রচলিত কুসংস্কার ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দূর করার ওপর জোর দেন। তাঁরা বলেন, ‘‘মানসিক রোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করা অত্যন্ত জরুরি। মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সঠিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।’’
সভাপতির বক্তব্যে এমপ্যাথী হাসপাতালের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ কামাল হোসেন বলেন, ‘‘মানসিক অসুস্থতা ও মাদকাসক্তির বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, কিছু কিছু নিরাময় কেন্দ্রে পুনর্বাসনের নামে রোগীদের ওপর নির্মম অত্যাচার ও অমানবিক আচরণ করা হয়। এমপ্যাথী মানসিক হাসপাতাল এসব অমানবিকতা থেকে মুক্ত থেকে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা-বিধি মেনে মানসম্মত সেবা দিয়ে আসছে।’’
উল্লেখ্য, অপসোনিন ফার্মা লিমিটেডের আয়োজনে ও স্পন্সরে সম্পন্ন হওয়া এই অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া এবং আক্রান্তদের প্রতি সহানুভূতিশীল সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার জোরালো বার্তা তুলে ধরা হয়।







