দশমিনা প্রতিনিধি : সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে নারী জেলেরা মা ইলিশ শিকারে মেতেছেন। অভিযান অব্যাহত থাকলেও প্রকাশ্য দিবালোকে চলছে মা ইলিশ শিকার। অসাধু জেলেরা অভিযানের ফাঁকে মা ইলিশ ধরা অব্যাহত রেখেছেন।
জানা যায়, সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে চলছে মা ইলিশ শিকারের মহোৎসব। নিষেধাজ্ঞার সময়েও অবাধে মা ইলিশ শিকার করছেন অসাধু জেলেরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর বাঁশবাড়িয়া, ঢনঢনিয়া, গোলখালী, কাটাখালী, আউলিয়াপুর, রণগোপালদী ও পাতারচর এবং চরবোরহানের বিভিন্ন পয়েন্টে চলছে অবাধে মা ইলিশ শিকার। নদীতে মাছ ধরার ট্রলারগুলোতে অত্যাধুনিক ফাইটার ইঞ্জিন লাগিয়ে বেপরোয়াভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন জেলেরা। গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া এলাকার নদীতে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৭-৮টি মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে জেলেরা নির্বিঘ্নে নদীতে জাল পেতে মা ইলিশ শিকার করছেন। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মা ইলিশ রক্ষায় নদীতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
এ বিষয়ে উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম জানান, তেঁতুলিয়া নদীর উত্তর প্রান্তে কয়েকটি নারী জেলের দল একাধিক ট্রলার নিয়ে আমাদের সীমানায় মা ইলিশ শিকার করতে আসেন। মূলত তারা বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের বগি বাজার এলাকার লোক। তাদেরকে আটক করলে তারা সঙ্গে থাকা অবুঝ ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের নদীতে ফেলে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখায়। তবে আজ থেকে কঠোরভাবে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, ‘‘আমি নিজেই তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান পরিচালনা করছি। নৌপুলিশ, থানা পুলিশ ও মৎস্য বিভাগকে কঠোরভাবে সরকারি নিষেধাজ্ঞায় মা ইলিশ রক্ষায় কাজ করার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে একাধিক জেলেকে আটক এবং জাল ও ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।’’







