সাইদুর রহমান খান, দুমকীঃ পটুয়াখালীর দুমকীতে জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে এবং বৃষ্টির পানি থেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র রক্ষা করতে পলিথিন টানিয়ে চলছে ডাকবিভাগের দাপ্তরিক কার্যক্রম। উপজেলা সদরের প্রধান এ ডাকঘরটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে এবং পলেস্তারা খসে পড়ছে। এতে বৃষ্টির সময়ে পানি পড়ছে অফিসের ভিতরে।এছাড়াও পলেস্তারা খসে পড়ার আতংকে দিন পার করছে অফিসের কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা।
জানা যায়, ১৯৮১ সালের ১২ জানুয়ারী তৎকালীন মন্ত্রী পরিষদ সচিব এম কেরামত আলী ডাক বিভাগের অর্থায়নে উপজেলা সদরের দুমকী গ্রামে এ ডাকঘরটির ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেন। তখন থেকে এ ডাকঘর থেকেই উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডাক বিভাগের সেবা কার্যক্রম প্রদান করে আসছে।এছাড়াও ডাক সার্ভিসের পাশাপাশি সব ধরনের ডিজিটাল সার্ভিসও দেয়া হয়। তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় ছয় মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও চালু রয়েছে। প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে বলেও জানা যায় ।
সরেজমিনে গত ২৩ অক্টোবর সোমবার দেখা যায় , ভবনটির দেয়ালের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ধরেছে। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে ও ছাদের ভিমের প্লাস্টার উঠে গিয়ে রডগুলো বের হয়ে আছে। বৃষ্টির পানি থেকে রক্ষা পেতে অফিসের ভিতরে এক পাশের্ব টানানো হয়েছে পলিথিন। ভুক্তভোগী গ্রাহক ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাবি দ্রুত নতুন ভবন তৈরি অথবা পুরাতন ভবনের সংস্কার করে ভোগান্তি লাঘবের। তাই তারা ডাক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
রানার মোঃ ইবরাহীম হাওলাদার বলেন, সবসময় আমরা আতঙ্কে থাকি এই বুঝি পলেস্তারা খসে পড়লো।
এ বিষয়ে পোস্ট মাস্টার নগেন চন্দ্র পাল বলেন, ভবনটি সংস্কারের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করেছি।
ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে কোন লিখিত আবেদন আমি পাইনি। লিখিত আবেদন পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ভবণটি সংস্কারের যোগ্য নাকি নূতন করেই আরেকটি ভবণ নির্মাণ করতে হবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।







