সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ওয়াই মুভস প্রকল্পের আওতায় ইয়েস বাংলাদেশ ও ইয়ুথ ফর চেইঞ্জ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রান্তিক পর্যায়ে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ইটার জেনারেশনাল ডায়লগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার বিকেলে পটুয়াখালী জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ইয়েস বাংলাদেশের পটুয়াখালী শাখার সভাপতি মোঃ হাসিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপপরিচালক আ.ফ.ম আরাফাত হোসেন।
ওয়াই মুভস প্রকল্পের জেলা ভলান্টিয়ার জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, পরিবার পরিকল্পনার সহকারী পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক (সিসি) ও জেলা কনসালটেন্ট ডাঃ মোঃ সামসুজ্জামান, সদর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শকা ফাতেমা ইয়াসমিন, আদর্শ মানবসেবা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আফরোজা আকবর, আলোকিত সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সাবরিনা শাহনাজ, অভিভাবক ও সমাজসেবিকা ফারজানা রহমান।
এছাড়াও কিশোর কিশোরী ও যুবদের মধ্যে মতামত ব্যক্ত করেন উম্মে হানী, জয়িতা, জাকারিয়া ইসলাম, গাজী সালাউদ্দিন আবিদ ও নারীপক্ষ তারুণ্যের কন্ঠস্বর প্লাটফর্মের সমন্বয়কারী আনিকা ইসলাম।
এসময় বক্তারা বলেন, সরকারের জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কৈশোর বান্ধব স্বাস্থ্যসেবা সেবার মানোন্নয়ন ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি লক্ষ্যে পটুয়াখালীসহ দশটি জেলায় স্কোর কার্ড প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করে ওয়াই মুভস প্রকল্প। এতে সেবা দাতা ও সেব গৃহিতাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলাসহ কৈশোর বান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কর্ণারের সমস্যা ও সম্ভাবনা সমূহ ফুটে উঠেছে। এতে করে কর্ণারের সেবা প্রদান পদ্ধতি আরও টেকসই হবে।
বক্তারা আরও বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মকে স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গঠনে দরকার, স্মার্ট কৈশোর বান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। সঠিক, সুস্থ ও সুন্দর ভাবে বেড়ে উঠতে কিশোর কিশোরী যৌন প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা আরও প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করতে হবে। সেবাদাতা ও গৃহিতাদের সহনশীল ও বন্ধু সুলভ আচরণের জন্য প্রস্তুত করাসহ কৈশোর বান্ধব স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কিশোর কিশোরী কর্ণারের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকায়ণ এবং গোপনীয়তা রক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে সকলে মিলে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা শিক্ষা, প্রচার ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সুস্থ, সবল ও স্বাভাবিক ভবিষ্যত জনগোষ্ঠীকে গড়ে তুলা সম্ভব বলে মনে করেন তারা।







