সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষা, পদোন্নতি, পদসৃজন, স্কেল আপগ্রেডেশন ও আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসনসহ শিক্ষা ক্যাডারের নায্য দাবিসমূহ আদায়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি।
মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালী সরকারি কলেজের প্রফেসর লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমীন, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোদাচ্ছের বিল্লাহ, উপাধক্ষ্য আবদুল মালেকসহ সমিতির সদস্যরা।
এসময় বক্তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সকল ক্যাডারে সুপারনিউমারি পদে পদোন্নতি বৈষম্য নিরসন, আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন, ১২৪৪৪টি পদ সৃজন প্রস্তাবের অগ্রগতি, অধ্যাপক পদমর্যাদাসম্পন্ন ৪২৯টি পদ ৩য় গ্রেডে উন্নীত, কর্মকর্তাদের পূর্ণগড় বেতনে অর্জিত ছুটি ভোগ, উচ্চ শিক্ষা দেখভালের জেলা উপজেলায় শিক্ষা ক্যাডারের নিয়ন্ত্রণে শিক্ষা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ গঠন দাবী জানান।
চলতি মাসের মধ্যে যুক্ত সঙ্গত দাবী মেনে না নিলে আগামী ২শরা অক্টোবর একদিনের কর্মবিরতি পালন করবে সংগঠনটির সদস্যরা। এরপরও যদি দৃশ্যমান অগ্রগতি না হয়, তাহলে ১০,১১ ও ১২ অক্টোবর টানা তিনদিনের কর্মসূচী ঘোষণা করেন।
এসময় বক্তারা আরও বলেন, আমার অনেক ছাত্র অন্য ক্যাডারে গিয়ে আমাদের ভুলে যান। আমরা কত বৈষম্য ও অসম্মানিত হচ্ছি, তা দেখছেন। এসময় ১৬তম বিশেষ বিসিএসের শিক্ষকরা বলেন, আমাদের পরে ব্যাচে যারা ক্যাডার হয়েছেন, তার এখন অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় কাজ করছেন। কিন্তু আমরা সেই পরেই আছি। আমরা না পারছি সহকর্মীদের সামনে দাড়াতে, না পারছি পরিবার আত্মীয় স্বজনদের সামনে দাড়াতে। শিক্ষা ক্যাডারের গ্রেড বৈষম্য রয়েছে। বেতনে অনেকেই কৌশলেগত ভাবে অসম্মান করা হয়েছে।
কে বা কারা বিসিএস সাধারণ শিক্ষাক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষা, পদোন্নতি, পদসৃজন, স্কেল আপগ্রেডেশন ও আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসনে বাঁধা হয়ে দাড়ায় বা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন প্রতিপালনে বাঁধা দিচ্ছে, এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সভাপতি ও পটুয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, আমরা সুনির্দিষ্ট বলতে চাইনা। তবে যে বা যারাই করুক, তারা যেন আমাদের বিষয়টি বুঝতে পারে এবং আমাদের প্রাপ্য সম্মান টুকু ফিরিয়ে দেয়। সংবাদ মাধ্যমের লেখনির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।







