বরগুনা প্রতিনিধি : বরগুনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও বিচারিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে সামারী ট্রায়াল (সংক্ষিপ্ত বিচার) অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে চুরি ও মাদক সংক্রান্ত পৃথক দুটি মামলায় মো. ফয়সাল ও মো. মিজানুর রহমান নামে দুই আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার বিচারিক সব তথ্য-প্রমাণ ও আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. রানা শেখ সংক্ষিপ্ত বিচার প্রক্রিয়ায় এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুরে বরগুনা পৌর শহরের আল্লাহ মালিক হসপিটাল লিমিটেডে চিকিৎসা নিতে আসা তিন রোগীর পকেট থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মো. ফয়সাল নামের এক যুবককে আটক করে বরগুনা থানা পুলিশে সোপর্দ করে। বিচারে আদালত চুরি মামলায় ফয়সালকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। দণ্ডপ্রাপ্ত ফয়সাল বরগুনা পৌরসভার চরকলোনী এলাকার মো. ফিরোজের ছেলে।
অন্য একটি অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ পুলিশ আটক করে মো. মিজানুর রহমান নামে অপর এক ব্যক্তিকে। তিনি পৌরসভার খাড়াকান্দা এলাকার মো. নাসির হাওলাদারের ছেলে। সংক্ষিপ্ত বিচারে বিচারক মিজানুর রহমানকে ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
বরগুনা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকরা নিয়মিত এই সামারী ট্রায়ালের মাধ্যমে বিভিন্ন লঘু অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করছেন। দ্রুততম সময়ে অপরাধের বিচার ও সাজা নিশ্চিত হওয়ায় স্থানীয়ভাবে অপরাধ প্রবণতা কমার পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থার ওপর সর্বসাধারণের আস্থা বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।







