সাথী প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালী শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত টিবি ক্লিনিক সড়কের পাশের পুকুর। দীর্ঘদিন যাবত কচুরিপানা সহ ময়লা আবর্জনায় পুকুরটি ভরাট হয়ে পানির দেখা না মিলতো না। সম্প্রতি ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত হওয়া পুকুরটির এমন বেহাল অবস্থা নিয়ে স্থানীয় সহ বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় পর পাল্টে পায় পরিস্থিতি। পটুয়াখালী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মালিকানাধীন পুকুর হলেও পটুয়াখালী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ পুকুরটি সংস্কারে উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে পুকুরের উপরিভাগের কচুরিপানা সহ ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করা হয়েছে। এতে পানির অস্তিত্ব মিলেছে। প্রস্তুতি চলছে পুকুরটি সংস্কার করে এর পানি ব্যবহার উযোগী করা সহ পুকুরটি চারপাশে ওয়াকওয়ে ও দৃষ্টিন্দন করার।
স্থানীয় বাসিন্ধারা জানান, দীর্ঘদিন যাবত পুকুরটি এমন বেহাল অবস্থায় পরে থাকায় আশ পাশের মানুষ পুকুরে দৈনন্দিন ময়লা আবর্জনা ফেলতো, ফলে দূর্গন্ধে অতিষ্ট ছিল এলাকার মানুষ। এ ছাড়া ময়লা আবর্জনার কারনে মশা মাছির উৎপত্তি হতো। তবে পরিস্কার করার পর সে পরিস্থির উন্নতি হয়েছে।
টিবি ক্লিনিক এলাকার বাসিন্থা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পটুয়াখালী পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ, পাশপাশি দৈনিক যায়যায়দিন কতৃপক্ষকেও ধন্যবাদ জানাই। এমন জনবান্ধব এবং জন সম্পৃক্ত বিষয় গুলোকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করার। আশা করি পুকুরটি এখন আর কেউ ময়লা আবর্জনার ভাড়ার হিসেবে ব্যবহার করবে না।
পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ‘ইতিমধ্যে শহরের বেশ কিছু পুকুর এবং লেক সংস্কার করে তা সুপেয় পানির আধার হিসেবে তৈরী করা হয়েছে। শহরের পুকুর ও জলাধার গুলো টিকিয়ে রাখতে পৌরসভা বদ্ধ পরিকর। টিবি ক্লিনিক পুকুরটিও ইতিমধ্যে পরিস্কার করা হয়েছে। পুকুরটির পানি যাতে সকলে ব্যবহার করতে পারে সে জন্য আমরা কাজ করছি। প্রথম ধাপে পরিস্কার করা হলো, এর পর চার পাশে গাইডওয়াল সহ ওয়াকওয়ে করা হবে। পুকুরটি দৃষ্টিনন্দন করার বিষয়ে পরিকল্পনা চলছে। তবে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকা কতৃপক্ষে ধন্যবাদ এমন বিষয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করে আমাদের নজরে আনার জন্য। ’







