সাথী প্রতিবেদক: পটুয়াখালী জেলা যুব দলের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে শহরের বানানী মোর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শেষে ফেরার পথে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটছে।
এ হামলায় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের উপর এ হামলার দায় চাপাচ্ছে বিএনপি। তবে, এদায় অস্বিকার করেছে আওয়ামী যুব ও ছাত্রলীগ। সোমবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে শহরের সবুজবাগ মোড়, সিংগাড়া পয়েন্ট ও ডিসির বাংলোর সামনের সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী বলেন, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচী শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ করে নেতাকর্মীরা যখব নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাচ্ছে ঠিক, সে সময় ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছে মাদার বুনিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান, মো: হাসিব, সে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ভর্তি আছেন এবং আরো শতাধিক নেতাকর্মীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ আজকে যে হামলা করেছে তা খুবই নেক্কারজনক তারা বৃদ্ধ বাবার বয়সের মানুষদেরও পশুর মত পিটিয়ে যখম করেছে।উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করা হবে।
অন্যদিকে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলে, এই ঘটনা পুরোপুরি বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। তাদের নিজেদের দলের মধ্যেই গ্রুপিং। তারা নিজেদের মধ্যে হট্টগোল সৃষ্টি করেছে, সেই দোষ ছাত্রলীগ, যুবলীগের ঘারে চাপাতে চায়। আমরা শিক্ষা, শান্তি, প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন। আমরা কখনো তাদের ওপর হামলা করতে পারি না।
তবে এখন পর্যন্ত এ হামলার বিষয়ে জেলা বিএনপি থেকে আনুষ্ঠানিক কোন প্রতিক্রিয়া জাননাো হয়নি বা কোন অভিযোগ করা হয়নি।







